Programme Bakul - Kharkutoy Swapna Khunji 2017

Solo Performance (Bakul) – Kharkutoy Swapna Khunji

Posted on Posted in Program Prime, Program Solo

বকুলের একক সন্ধ্যাঃ খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি

স্থানঃ শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়েতন, কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী, শাহবাগ, ঢাকা
তারিখঃ শুক্রবার, মার্চ ০৩, ২০১৭
সময়ঃ সন্ধ্যা ৬ঃ৩০ টা
আয়োজকঃ মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র

কণ্ঠশিল্পীঃ নাসিমা খান বকুল
মঞ্চ পরিকল্পনাঃ আনিসা জামান চাঁপা

মঞ্চসজ্জাঃ

  • অনিন্দ্য নাহার হাবিব
  • কাজী মাশরুর মাজহার

আলোক পরিকল্পনাঃ মু. ইমরান হোসেন
আলোক সহযোগীঃ ঋভু দ্রাবিড়
আলোক প্রক্ষেপনঃ স্পটলাইট

আবহ সংগীতঃ

  • হানিফ মোহাম্মদ রতন
  • এবাদুল হক সৈকত

শব্দযন্ত্রঃ সমীর সাউন্ড

কৃতজ্ঞতাঃ

  • হাসিবুর রহমান
  • মাসকুর-এ-সাত্তার কল্লোল
  • মাশরুক রহমান টিটু
  • রাইদা তাকিয়া
  • লিপিয়া নাসরিন
  • মোবারক হোসেন
  • শহীদুজ্জামান বাদল

গ্রাফিক্স ও মুদ্রণঃ ইম্প্রেশন মিডিয়া কমিউনিকেশন


সভাপতির কথা

Anisa Zaman Chapa
Anisa Zaman Chapa

মানুষ মানুষে সম্প্রীতি না থাকলে পৃথিবী বাসযোগ্য হতে পারে না।

ক্ষমতার লড়াইয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র উৎসাহ নেই। পরস্পরের অন্তরের সুপ্ত মনুষ্যত্বের বোধকে উদ্দীপ্ত করে শান্তির পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই আমরা। আবৃত্তিকে আশ্রয় করেই অসাম্প্রদায়িক ও শান্তির সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি আমরা। ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ আমাদের সহযাত্রী নাসিমা খান বকুলের প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান এবং মুক্তধারা আয়োজিত পঞ্চম একক অনুষ্ঠান। মুক্তধারা আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলামের প্রথম ও দ্বিতীয় একক অনুষ্ঠান আয়োজন করে ২০০৫ এবং ২০১৩ সালে। আবৃত্তিশিল্পী তামান্না সারোয়ার নীপার প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করে ২০১৫ সালে এবং আবৃত্তিশিল্পী মাহমুদা সিদ্দিকা সুমির প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করে ২০১৬ সালে।

নাসিমা খান বকুলের মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে নিরবচ্ছিন্ন পথচলা শুরু ১৯৯৮ সাল থেকে। বকুল ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মুক্তধারার নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে এবং ২০০৬ সাল থেকে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে। পেশাগত ব্যস্ততা ও পারিবারিক দায়িত্ব সামলিয়ে দলীয় ও ব্যক্তিগত চর্চা করেছে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে। বকুলের সবচেয়ে বড়গুণ কখনো একা এগিয়ে যেতে চায় না, সব সময় দলের কথা ভাবে আগে এবং দলকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। যা সাংগঠনিক চর্চার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাংগঠনিক চর্চায় ও সততায় বিশ্বাসী মুক্তধারা আনন্দিত আজকের আয়োজনটি করতে পেরে। মুক্তধারার সকল শুভানুধ্যায়ীদের জানাই অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা। সকল দর্শক শ্রোতাকে আন্তরিক অভিনন্দন। এ আয়োজনকে সফল করার প্রয়াসে যারা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে কথায়, কাজে পরামর্শে ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করেছেন তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

জয় হোক আবৃত্তিশিল্পের। জয় হোক মানুষের।

আনিসা জামান চাঁপা
সভাপতি
মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র


সাধারণ সম্পাদকের কথা

Rafiqul Islam
Rafiqul Islam

মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সাতাশ বছরের পথচলায় পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি প্রযোজনা, বৃন্দ পরিবেশনা ও তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল আবৃত্তিশিল্পীদের একক পরিবেশনার সুযোগ সৃষ্টিকে সব সময়েই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে আসছে। মুক্তধারা আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য-শিল্পীদের একক পরিবেশনা যতোটা গুরুত্ব পায় ঠিক ততোটাই গুরুত্ব দিয়ে মুক্তধারা সতীর্থ অন্যান্য সংগঠনের তরুণ আবৃত্তিশিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকে।

পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি প্রযোজনা ও বৃন্দ পরিবেশনার পাশাপাশি মুক্তধারা একক আবৃত্তিতে সংগঠনের শিল্পীদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টির প্রয়াসে ‘জানাশোনা অচেনা কথা’ ও ‘হৃদয়ে-চৈতন্যে-বোধে’ শীর্ষক দু’টি ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজন করে আসছে। ‘জানাশোনা অচেনা কথা’ অনুষ্ঠানে মুক্তধারার শিল্পীরা অপেক্ষাকৃত কম পঠিত ও নতুন কবিতার একক আবৃত্তি পরিবেশন করে থাকে এবং ‘হৃদয়ে-চৈতন্যে-বোধে’ অনুষ্ঠানে অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠ দু’জন করে আবৃত্তিশিল্পী ত্রিশ মিনিট করে আবৃত্তি করে থাকে। এছাড়াও মুক্তধারা ইতোমধ্যে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পীদের চারটি একক আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তধারার জ্যেষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল-এর ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ শীর্ষক এই আবৃত্তি অনুষ্ঠান।

পারিবারিক ও পেশাগত নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বকুল প্রায় ঊনিশ বছর ধরে মুক্তধারায় কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছে এবং একখনও করছে। সাংগঠনিক কাজের পাশাপাশি নির্দেশনা প্রদান এবং নিজের একক চর্চায়ও নিয়ত নিষ্ঠাবান। স্বল্পভাষী বকুল অনেকখানি কৌশলী। তার একান্ত নিজস্ব একটি গভীর চিন্তা-ভাবনার জগৎ রয়েছে, যার প্রফিলন ঘটে তার সকল কর্মে। বকুল তার প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে ঐকান্তিক ও আন্তরিক; যেমন পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে তেমনি শিল্প চর্চায়।

বকুলের কবিতা উচ্চারণ শিল্পমাধুর্য্যে দর্শক-শ্রোতা-নন্দিত হবে আশাকরি। আর তা হলেই মুক্তধারার এই আয়োজন সার্থক হবে। কৃতজ্ঞতা জানাই সকল কর্মী, দর্শক-শ্রোতা ও শুভানুধ্যায়ীদের।

রফিকুল ইসলাম
সাধারণ সম্পাদক
মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র


নাসিমা খান বকুল

Nasima Khan Bakul in Front of a Microphone
Nasima Khan Bakul

নাসিমা খান বকুল। জন্ম- দাদাবাড়ি, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মূলপাড়া গ্রামে। জন্মের পর থেকে শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য কেটেছে ঢাকার গোপীবাগে। পিতা- মোঃ রুহুল আমিন খান। মাতা- আনোয়ারা বেগম। তিন বোন- দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি জেষ্ঠ্য।

শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় (নারীশিক্ষা মন্দির নামে পরিচিত) থেকে ১৯৯১ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি, সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি এবং ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

বর্তমানে রপ্তানীমূলক প্রতিষ্ঠান এপেক্স ল্যানজরী লিমিটেড এবং এপেক্স টেক্সটাইল প্রিন্টিং মিলস্ লিমিটেডে উপ-মহাব্যবস্থাপক (মার্চেন্ডাইজিং এবং মার্কেটিং) হিসাবে কর্মরত আছেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে তার কবিতা ও গল্প দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সেই থেকে সাহিত্য চর্চা শুরু। ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস “হৃদয়ের গভীরে”।

কলেজ জীবনে বইমেলায় এসে অডিও অ্যালবামের আবৃত্তি শুনে শুনে আবৃত্তির প্রতি নেশা জন্মায়। ১৯৯৫ সালে কণ্ঠশীলনের দ্বাত্রিংশ আবর্তনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক আবৃত্তির সাথে পরিচয় ঘটে। ১৯৯৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে নিরবচ্ছিন্ন পথচলা। ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং ২০০৬ থেকে বর্তমান পর্যন্ত সহ-সভাপতি হিসেবে সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নিষ্ঠার সাথে।
মুক্তধারার বৃন্দ পরিবেশনা উদ্দীপ্ত সমাধি, দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, রূপকাহিনীর গাঁয়ে, শ্যামলের বিস্ময়, ইতিহাসচারিণী বাংলা, স্বাধীন সূর্যোদয়, প্রিয় স্বদেশ প্রিয় স্বাধীনতা, আলোকিত চৈতন্যের স্বরে, ঐক্যে বাঁধি বাংলার স্বাধীনতা, আগমনী, ইশতেহার-এ একাধিকবার অংশগ্রহণ করেছেন। তাছাড়া শ্রাবণগাঁথা, স্বদেশের সবুজ চিঠি, শিশুতীর্থ, তবুও জীবন, মুখোমুখি দাঁড়াবার এইতো সময়, নক্ষত্রের মৃত্যু, প্রথম পূজা, হৃদয়ে-চৈতন্যে-বোধে, জানাশোনা অচেনা কথা (প্রায় সবক’টি পর্ব), আটকা পড়েছি প্রেমকাব্যের আদি জালে, ভাবিকাল যার ডাকনাম, শাশ্বত পদাবলী, কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমা, পায়ে উর্বর পলি-সহ প্রায় সবক’টি প্রযোজনায় তার উপস্থিতি ছিল উজ্জ্বল।

সম্প্রতি তিনি বৃন্দ প্রযোজনা ‘স্বাধীন সূর্যোদয়’ এবং পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনা ‘মুখোমুখি দাঁড়াবার এইতো সময়’ নির্দেশনা দিয়েছেন। মুক্তধারা থেকে প্রকাশিত এ্যালবাম ‘হৃদয়-চৈতন্যে-বোধে-১’-এ আবৃত্তি করেছেন এবং সংগঠনে ধারাবাহিক অনুষ্ঠান ‘হৃদয়ে-চৈতন্যে-বোধে -৩’-এ তিনি একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। টেলিভিশনের বিভিন্ন আবৃত্তি অনুষ্ঠানে দলীয় এবং এককভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তাছাড়াও বিটিভির নিয়মিত আয়োজন ‘সূবর্ণ উচ্চারণ’ ও বিভিন্ন মঞ্চে উপস্থাপক হিসেবে কাজ করছেন। বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী কর্তৃক নিয়োমিত আয়োজন ‘এইতো জীবন এইতো মাধুরী’-তে আবৃত্তি পরিবেশন করেন ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৫।

এছাড়া বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র যেমন- কুলি, পথশিশু, পানাম নগরির পথে পথে-এ কণ্ঠ দিয়েছেন। প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্যা টেল অব জিপসি চিল্ড্রেন’-এর পা-ুলিপি রচনা করেছেন। এই প্রামাণ্য চিত্রটি ২০০৬ সালে ইউনিসেফ-এর মিনা পুরস্কার লাভ করে।

তিনি সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করলেও আবৃত্তি নিয়েই বাকী জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখেন তিনি।


আবৃত্তিকৃত কবিতাগুলোর তালিকাঃ
  • ত্রাণ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • কখনো আমার মাকে - শামসুর রাহমান
  • রঙরেজিনী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • তোমার কিসের এত অহংকার? - তসলিমা নাসরিন
  • বেলাশেষে - কাজী নজরুল ইসলাম
  • আয় বৃষ্টি ঝেপে - মাহবুব হাসান
  • কানামাছি - রামেন্দু দত্ত
  • কাশবনে বৃষ্টি - নির্মলেন্দু গুণ
  • দুটি নদীর গল্প - রবিউল হুসাইন
  • জ্বালা - শাহজাদী আঞ্জুমান আরা
  • দুজন - জীবনানন্দ দাশ
  • একটি নতুন প্রেম - নাসিমা সুলতানা
  • অন্ধ রমণীর গান - কৃষ্ণা বসু
  • যদি হয় হোক - তসলিমা নাসরিন
  • যুগলসন্ধি - আবুল হাসান
  • একুশ শতকের খুশি বিষাদ - সরকার মাসুদ
  • বাংলা মায়ের ছেলে - সৈয়দ শামসুল হক
  • একজন শহীদের মা বলছেন - শামসুর রাহমান
  • বিদ্রোহী বলে সনাক্ত করে - শামসুর রাহমান
  • বাতাসে লাশের গন্ধ - রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
  • প্রজন্মের ডাক - মতিউর রহমান সাগর

 

শুভেচ্ছা

শ্রদ্ধাভাজন বড়বোন আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল-এর একক আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’-এর সফলতা কামনা করি সেই সাথে আবৃত্তির সাংগঠনিক চর্চার ক্ষেত্রে এর অবদান সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখবে আশা করছি।

যতটুকু শুনেছি ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের অন্যতম সংগঠন মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র-এর মাধ্যমে সাংগঠনিক আবৃত্তি চর্চা শুরু করেন, পরে ২০০৬ সালে সংগঠনের সহ-সভাপতি হিসেবে, এই দীর্ঘ পথ চলায় নানান কাজে নিজেকে গড়ে তুলেছেন বর্ণিল এক আলোর লণ্ঠনে।

শত ব্যস্ততার মাঝেও কবিতা ভালোবেসে স্পর্শ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আমি এবং আমাদের কণ্ঠসাধন পরিবারের পক্ষ থেকে ৩মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়া এই একক সন্ধ্যা ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’-এর সাফল্য কামনা করি। জয় হোক সৃজনশীলতার, জয় হোক মুক্ত চিন্তার, জয় হোক মানবতার। আবৃত্তির জয় হোক…

খোন্দকার সারওয়ার হোসেন নাঈম খোন্দকার সারওয়ার হোসেন নাঈম, সংগঠক, কণ্ঠসাধন আবৃত্তি পর্ষদ চান্দিনা, কুমিল্লা

স্বরব্যঞ্জনের অভিনন্দন আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুলকে

মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র আয়োজন করছে সংগঠনের সহ-সভাপতি আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুলের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান “খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি”। আমরা স্বরব্যঞ্জন শিল্পীকে ও মুক্তধারার সকল বন্ধুদের প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। সংগঠনের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় মঞ্চে নিয়মিত আবৃত্তি করেছেন এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদাভাবে চিনিয়েছেন আমাদের। আবৃত্তির মধ্য দিয়ে আরো এগিয়ে যাবেন সেই সাথে বলিষ্ঠ কণ্ঠ আর প্রাণের ছোঁয়ায় প্রত্যেকটি উচ্চারণ হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত ও স্বার্থক।

সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ একজন শিল্পী হিসেবে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মিছিলের প্রিয় মুখ নাসিমা খান বকুল। তার একক আবৃত্তি আয়োজন শতভাগ সফল হোক। মুক্তধারার জয় হোক। জয় হোক আবৃত্তির।

মনিরুল ইসলাম মনিরুল ইসলাম, স্বরব্যঞ্জন

নাসিমা খান বকুল একজন খ্যাতিমান গুণী আবৃত্তিশিল্পী। এমন নিবেদিতপ্রাণ শিল্পী খুব কমই দেখা যায়। একক আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সহজ কথা নয়। অনেক চর্চা ও নিরবচ্ছিন্ন সাধনার ফসল হচ্ছে এমন একটি আয়োজন। আবৃত্তিশিল্পী হিসাবে সাফল্যের চূড়ায় আরোহনের পথে এ অনুষ্ঠান শিল্পীকে শতগুণে প্রণোদিত করবে। দেশের আবৃত্তি চর্চার ইতিহাসে তাঁর এই একক আবৃত্তি আয়োজন হবে একটি চমৎকার সংযোজন। আমার এই প্রিয় শিল্পীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান সাফল্যে, চমৎকারিত্বে, বৈচিত্র্যময়তায় ভরপুর হোক – এ কামনা সর্বাগ্রে।

হাসান জাহাঙ্গীর হাসান জাহাঙ্গীর, সভাপতি, শব্দ নোঙর

আবৃত্তির সঙ্গে দুই দশকেরও বেশি সহযাত্রা যার, সে আমার অত্যন্ত প্রিয় একজন সহযাত্রী- নাসিমা খান বকুল। আবৃত্তিশিল্পের প্রতি তার একনিষ্ঠতা, তা সে কর্মী-সংগঠক-শিল্পী কিংবা নির্দেশক হিসেবে হোক, আমাকে মুগ্ধ করে। তার কণ্ঠে মাহাবুব হাসান-এর ‘আয় বৃষ্টি ঝেপে’ ও রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার আবৃত্তি নিঃসন্দহে শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। আরও একটি কবিতা তার কণ্ঠে শোনার আগ্রহ আছে তা হলো বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর ‘কালো বস্তির পাঁচালি। আশা করি আগামী ৩রা মার্চ এই কবিতাগুলোর পাশাপাশি আমরা এমন কিছু কবিতার আবৃত্তি শুনবো যা তার শিল্পসত্তাকে আরো … আরো বেশি আলোকোজ্জ্বল করবে।

বন্ধু সংগঠন ‘মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র’কে ধন্যবাদ এই শিল্পীকে তার পূর্ণ স্বকীয়তা প্রকাশের সুযোগ করে দেবার জন্যে। মুক্তধারা সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’র পক্ষ থেকে বকুলের প্রতি রইল অফুরন্ত ভালবাসা ও শুভকামনা। তার আবৃত্তি তার নামের মতোই সুবাস ছড়াক সবার মনে মনে…

মু. সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ মু. সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক, মুক্তধারা সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র

নাসিমা খান বকুল প্রতিশ্রুতিশীল বাচিকশিল্পী। আবৃত্তির সঙ্গে তার নিরন্তর পথচলা। ঢাকা থেকে শুরু দেশের নানাপ্রান্তে কবিতার ডাকে সরব উপস্থিতি সমসময়। কবিতা অন্ত-প্রাণ এই শিল্পীর একক আবৃিত্তসন্ধ্যা সকলকে মুগ্ধ করবে সন্দেহ নেই। আমরা উচ্চারণ আকাদেমি পরিবার নাসিমা খান বকুল-এর একক আবৃত্তিসন্ধ্যার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করছি; সেই সঙ্গে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র পরিবারকে নিয়মিতভাবে এমন আবৃত্তি চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করে দেয়ার জন্য। জয় হোক মানবতার, জয় হোক আবৃত্তির।

রুমা সরকার রুমা সরকার, সভাপতি, উচ্চারণ আকাদেমি

বকুল নামটাতেই মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে আমাদের চারপাশে। সত্যি ভীষণ মিষ্টি একটি মেয়ে আর মানুষ হিসেবেও সে মিষ্টি মনের মানুষ। বাহির থেকে সে ভীষণ উচ্ছ্বল, তা আমি বলব না। ভীষণ ধীরস্থির মানুষ হিসেবে তাকে জানি। আমি যখন কণ্ঠশীলনে কাজ করতাম তার কয়েক বছর পর থেকেই বকুল মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে যুক্ত হয়েছে এবং তার এগিয়ে চলা ছিল নিরবচ্ছিন্ন। আমি তাকে চিনি বহুবছর ধরে কিন্তু বন্ধুতা হয়েছে ৬/৭ বছর আগে। এই বন্ধুটির সাথে সেতুবন্ধন তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল আরেকজন ভালো মানুষ কণ্ঠশীলনের রুবেল। তাই রুবেলের প্রতি রইল অসংখ্য ধন্যবাদ। বকুলের সাথে আমার মনের কোথায় যেন একটা টান রয়েছে। হয়তো আমাদের মধ্যে কথা হয় না প্রতিদিন তবুও তার জন্য একটা আকর্ষণ থেকে যায় হৃদয়ের অতলে।

সাংগঠনিক চর্চায় সে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবৎ। আমার জানামতে, সংগঠনের প্রায় সব বৃন্দ আবৃত্তি, প্রযোজনা, একক আবৃত্তিতে সে দক্ষতার পরিচয় রেখেছে তেমনি নির্দেশক হিসেবেও তার কাজ প্রশংসার দাবীদার।

সাংগঠনিক চর্চায় সে অনেকখানি এগিয়ে থাকা একজন মানুষ। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চায় এই বন্ধুকে পেয়েছি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রাজপথে আমাদেরই সাথে। তার একক আবৃত্তিসন্ধ্যায় আমি ভীষণভাবে আবেগে আপ্লুত। তাকে অনেক অনেক অভিনন্দন। মেয়ে হিসেবে অনেক প্রতিবন্ধকতা থাকে, তাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে তুমি এগিয়ে যাও বন্ধু। জয় হোক সংস্কৃতিকর্মীদের, জয় হোক আবৃত্তির।

নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলী নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলী, আবৃত্তি ও নাট্যশিল্পী

নাসিমা খান বকুল, পোশাকি নামে তেমন ভালো চিনিনা, বকুল নামেই চিনি একজন আবৃত্তি শিল্পী। দৃঢ় চেতা, কর্মনিষ্ঠ, স্বল্পভাষী আবৃত্তি শিল্পী বকুল আমাদের সকল কাজের একনিষ্ঠ কর্মী। তার দলের বিভিন্ন আবৃত্তি প্রযোজনায় একজন অগ্রগণ্য আবৃত্তি শিল্পী। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ব্যক্তি জীবনে সাফল্য ঈর্ষণীয়। শিল্পী জীবনে আরো অনেকটা পথ হাঁটতে হবে এবং ব্যক্তি জীবনের সাফল্যের কিছু অংশ ভাগ করে দিতে হবে শিল্পী জীবনের প্রতি। আবৃত্তি বকুলের প্রথম ভালোবাসা।

শিল্পীর এ মাধ্যমে তার সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি। আগামীতে বকুল এ অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত হোক। সকল সাংস্কৃতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রাখুক- এ প্রত্যাশায়।

 

মানজার চৌধুরী সুইট মানজার চৌধুরী সুইট, সংস্কৃতিকর্মী

নাসিমা খান বকুল একজন সহজাত আবৃত্তিশিল্পী। আরোপিত নয় বরং যাপিত জীবনের এক গভীরতম মমত্ববোধ বকুলের কণ্ঠে অনায়াসে বসত গড়ে। এ বড়ই দুঃসাধ্য কাজ। বকুল তার এই বসতবাড়িতে খুব কাছের মাটির মানুষদের নিয়ে সংসার পেতেছে। দেখে খুব লোভ হয় মনে। বকুলের সারল্য ভরা সাবলীল কবিতা পড়া, আমাকে বিষ্মিত করেছে। সাংঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি তার কবিতা পড়া শুধুই তার জন্য নয় বরং এক বিশাল সামাজিক দায়বদ্ধতা। এ বিশেষ ব্যাপারটি ‘ও’ বহু আগেই সকলের চোখে চোখ রেখে বলেছে। গলা ফাটিয়ে বলেছে, শহীদ মিনারে, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে, টিএসসিতে, রাস্তায় রাস্তায়, শহরে আর শহরের বাইরে।

আমি হলফ করে বলতে পারি ফুলের নামে যার নাম, সেই বকুল তার সুবাস ছড়াতে শুরু করেছে অনেক আগেই। বেঁচে থাকুক বকুলের আবৃত্তি, বাংলাদেশ একদিন বকুলের গন্ধে মাতাল হবেই।

তাহসিন রেজা তাহসিন রেজা, আবৃত্তিশিল্পী

নাসিমা খান বকুল তার পোশাকী নাম। আমরা যারা আবৃত্তি নগরে বসবাস করি, তাকে বকুল বলেই ডাকি, চিনি। প্রয়োগশিল্পে এটা প্রায় সত্য বলেই ধরে নেয়া হয়েছে, মেয়েরা আসবে, কেউ কেউ খুবই সম্ভাবনাময় হয়ে উঠবে, তারপর হারিয়ে যাবে বিস্মৃতির অতলে। কারণটা বোধ করি আমাদের জানা আছে। কিন্তু বকুল এই ‘প্রায় সত্যের’ সিমানার বাইরে। ও পঁচিশ বছর ধরে আবৃত্তির সঙ্গে গেরোস্থালী করেছে ভালবাসা, মমতা, সৃজন আর অবিরত চর্চার সঙ্গে সখ্যতা করে।
বকুল কর্মজীবনে দায়িত্বশীল পদে থেকেও সংগঠন চর্চা, রাজপথে মিছিলে শ্লোগানমুখর আবৃত্তি অনুষ্ঠান সমূহে নিয়মিত উপস্থিতিতে আমাদের অনেককেই অতিক্রম করেছেÑ আবৃত্তর প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই। বকুল স্বভাবে স্বল্পভাষী, কিন্তু তার বিশ্বাস, আদর্শ আর চেতনার সঙ্গে আপোষ করে নিশ্চুপ থেকেছে তেমনটি দেখিনি।
তিন মার্চ শুক্রবার খড়কুটোয় স্বপ্ন দেখা আবৃত্তিশিল্পীর আবৃত্তি শুনতে আমরা সমবেত হব মিলনায়তনে। শব্দের বুননে আর কণ্ঠের দিপ্তীতে হিরন্ময় ঔজ্জ্বল্যে বকুলের স্বপ্নের সঙ্গে মিলিয়ে নেব আমাদের দেখাÑ অদেখা স্বপ্নগুলো।
জয়তু আবৃত্তি। জয়তু বকুল। জয়তু মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র।

মাসকুর-এ-সাত্তার কল্লোল মাসকুর-এ-সাত্তার কল্লোল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ সভাপতি, স্বনন, ঢাকা

অশেষ শুভকামনা

প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান শিল্পীর জন্য মনে হয় খুব আনন্দের, শিহরণের এবং কিছুটা ভয়েরও। সবকিছু মিলিয়ে আবার একটা অর্জন। এই অর্জনের নেপথ্যে থাকে একটা দীর্ঘ সাধনাযাত্রা। পথটা নয় মোটেও মসৃণ। সেই পথ পাড়ি দিয়ে আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল আজ একা দাঁড়াবেন মঞ্চে। আলো থাকবে থাকবে কেবল তাঁর উপরে। সেই আলোতে নিজে ভাসবেন, আমাদের ভাসাবেন। অভিনন্দন। অশেষ শুভকামনা। মুক্তধারা আবৃত্তিচর্চা কেন্দ্রকে ধন্যবাদ এই আয়োজনের জন্য।

রহমতউল্লাহ নোমান রহমতউল্লাহ নোমান, নন্দনকানন

কবিতার প্রেমে আবৃত্তি টানে

কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ লিখিয়ে নাসিমা খান বকুল। ১৯৯৫ সালে কণ্ঠশীলনের দ্বাত্রিংশ আবর্তনের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক আবৃত্তি চর্চায় ঋদ্ধ হয়ে ১৯৯৮ সাল থেকে যুক্ত হয়েছেন মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে কণ্ঠের ছন্দময়তায়। মুক্তধারার বৃন্দ পরিবেশনার নিরন্তর সহকণ্ঠ। আবৃত্তিশিল্পী হয়ে ওঠার পাশাপাশি তিনি বৃন্দ পরিবেশনা ও পূর্ণাঙ্গ প্রযোজনার নির্দেশনায় রেখেছেন মুন্সিয়ানার ছাপ। দায়িত্ব পালন করছেন আবৃত্তি প্রশিক্ষকের। নিয়মিত আয়োজনে বিটিভির সুবর্ণ উচ্চারণ, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর এইতো জীবন এইতো মাধুরীতে আবৃত্তি পরিবেশন করে হয়েছেন দর্শক নন্দিত।

একুশের চেতনা হৃদয়ে লালন করে জাগ্রত শুভবোধকে কণ্ঠের মায়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন আবৃত্তি অনুরাগীদের মাঝে। ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ শিল্পীর একক আবৃত্তিসন্ধ্যা প্রত্যাশার পথে আরও একধাপ। আগামীর স্বপ্ন পূরণে মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে থেকে এগিয়ে যাক আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল।
জয় হোক আবৃত্তির।

রফিকুদ্দৌলা রাব্বি রফিকুদ্দৌলা রাব্বি, সহ-সভাপতি, আবৃত্তি পরিষদ, নওগাঁ

প্রিয় বকুল,

খুব মিস করছি টিএসসির আড্ডা, মহড়া, আবৃত্তির ক্লাস। মিস করছি পাবলিক লাইব্রেরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, আবৃত্তির অনুষ্ঠান। মিস করছি তোমাদের সবাইকে। সবার সব ধরনের স্বপ্ন বোধ হয় পূরণ হয় না। একদিন স্বপ্ন দেখেছিলাম কবিতার সঙ্গে ঘর বাঁধবো, আবৃত্তির সঙ্গে সংসার, হয়নি। তবু হাল ছাড়িনি, এখনো আমার ভ্রমণে, ভালো লাগার অনুভূতিতে, কাজের ক্লান্তিতে কবিতা-ই একমাত্র সঙ্গী, একমাত্র আশ্রয়, আমার বনলতা সেন।

তোমার একক আবৃত্তির খবর জেনে খুব ভালো লাগলো। ১৯৯৫ কি ’৯৬ সালে তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম। পরবর্তীসময়ে টিএসসির বারান্দায়, খোলা চত্বরে, অনুষ্ঠানে, আয়োজনে আরও অনেকবার। কবিতার প্রতি তোমার টান, আবৃত্তির প্রতি তোমার মায়া তখনই টের পেয়েছিলাম। অস্থির সময় তোমাকে বদলাতে পারেনি, বরং তুমি তোমার প্রেমজালে সময়কে বেঁধে ফেলতে পেরেছো। আশীর্বাদ করি, তুমি তোমার মায়ার সঙ্গে হাঁটো, প্রেমের সঙ্গেই বাঁচো। তুমি আপাদমস্তক আবৃত্তি-বালিকা, আবৃত্তিতে বকুল ফুলের সুবাস ছড়াও…

মাসুদ সেজান মাসুদ সেজান, নাট্যকার ও নির্মাতা

নাসিমা খান বকুল, মানুষটি খুব মিষ্টি, ধীরস্থির, ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। কম কথা বললেও সে খুব মিশুক স্বভাবের। মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে তার পথচলা দীর্ঘদিনের আর নিয়মিত। পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও বকুলের উপস্থিতি যেমনি ছিল সংগঠনের নানা কাজে নিয়মিত, তেমনি আমাদের জাতীয় জীবনে সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রাজপথে তাকে পেয়েছি আমাদের পাশে সকল সময়ে। বকুলের আবৃত্তি পরিবেশনাতে আছে দক্ষতার ছাপ। বকুল দক্ষ আবৃত্তিকার হবার পাশাপাশি একজন দক্ষ সফল নির্দেশকও। তার একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হবে জেনে আমি আনন্দিত। আমি আশা করি এই অনুষ্ঠানটিও আমাদের হৃদয়গ্রাহী হবে, অভিনন্দন জানাতে চাই মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রকেও তাদের আয়োজনের জন্য। জয়তু আবৃত্তিশিল্পী, জয়তু আবৃত্তি।

Muktodhara
আহ্সান উল্লাহ্ তমাল আহ্সান উল্লাহ্ তমাল, আবৃত্তিশিল্পী

আবৃত্তি অনুশীলন, আবৃত্তি অনুষ্ঠান বাংলা ভাষাকে নিবিড় পরিচর্যায় শুদ্ধ উচ্চারণে মানুষের দারপ্রান্তে নিয়ে যায় এটি আমি মনে করি।। বাংলাদেশে এই অনুশীলনটি এখন দলগত এবং ব্যক্তিগতভাবে উৎসবে পরিণত হয়েছে। মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চার কেন্দ্রের আয়োজনে খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি শিরোনামে নাসিমা খান বকুলের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান সময়ের সাথে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার ধারাবািহকতার প্রকাশ। কণ্ঠযোদ্ধাদের সাথে একাত্ম প্রকাশ করে অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি। ধন্যবাদ আয়োজক এবং শিল্পীকে আনুষ্ঠানটি আয়োজন করবার জন্য।

জয়হোক আবৃত্তির।

জয়দেব সাহা জয়দেব সাহা, সভাপতি, শব্দ আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ময়মনসিংহ

তরুণ আবৃত্তিশিল্পীদের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের নতুন পথ চলায় যুক্ত হল নাসিমা খাঁন বকুল। মুক্তধারা তাঁদের নতুন এই উদ্যোগের শুরুতে এরই মধ্যে দু’জন শিল্পীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। এবার আয়োজন করছে বকুলের ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ শীর্ষক একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান। দলটির এই নব উদ্যোগ নতুন শিল্পী তৈরিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বলছি তরুণ আবৃত্তিশিল্পী- এ আসলে শিল্পীর প্রজন্ম ক্রমান্বয়। সময়ের বিচারে দুই দশক পার করলে পরিণত শিল্পীর পথে এগিয়ে যায় শিল্পী। শুভেচ্ছা রইল বকুলের প্রতি। নতুন কবিতার স্বাদ আস্বাদনে শ্রোতা হিসেবে আগ্রহ রইল।

আজহারুল হক আজাদ আজহারুল হক আজাদ, বাকশিল্পাঙ্গন

বকুলকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা

নাসিমা খানকে পোশাকী নামে জানতাম না, দরকারও ছিল না। কারণ বকুলকে চিনতাম ভালো করে। বকুল নামটি মনে রাখার মতো, সহাস্য, মানিয়ে চলবার মতো। কথোপকথনে, আবৃত্তির আলোচনায়, কখনও ক্লান্ত দুপুরে স্বপনের বানানো চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে কুশল বিনিময়ে আভাস পাই- বকুল অনেকের প্রিয় হয়ে ওঠার মতো যোগ্যতা রাখেন- তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে, বাৎসল্যতার মধ্য দিয়ে। বকুল মিষ্টভাষিণী এবং শান্তকথক হিসেবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন আবৃত্তির ঘরে-বাইরে, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। সাক্ষাতেও সতত বাঙালি। ফলে কবিতার পঙ্ক্তি উচ্চারণে তাঁর প্রকাশ শ্রোতার কাছে বাঙ্ময় হয়ে ওঠবে- এটি ন্যায্য প্রত্যাশা।

কণ্ঠশীলন থেকে আবৃত্তির কর্মশালা করেছেন প্রায় বাইশ বছর আগে আরও অনেকে যেমন করেছেন। কিন্ত বকুল প্রমাণ করেছেন তাঁর গ্রহণ করা প্রশিক্ষণ আরও অনেকের মতো ছিল না। কাজের ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে চলেছেন ‘মুক্তধারা’র সাথে যার সূতিকাগার কণ্ঠশীলন। তোমাকে অভিনন্দন বকুল।
একটু একটু করে ‘মুক্তধারা’ সংগঠনকে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধলেন, এক এক করে প্রযোজনায় যুক্ত হতে থাকলেন বকুল, প্রতিশ্রুতির চলন্তিকা এসে থামল নির্দেশনার ভূমিতে, সাক্ষর রাখলেন সেখানেও। সাধন-কর্ষণ-পরিশ্রমের অনিবার্য এক ফসল পেলাম আমরা ২০১৫ সালে ‘এইতো জীবন এইতো মাধুরী’ অনুষ্ঠানে। একক আবৃত্তির চমৎকার উপস্থাপন, মনে রাখার মতো উচ্চারণ।

আজকের একক পরিবেশনা বকুলের জীবনে হয়ে উঠুক আবৃত্তি কর্মের আরও এক স্তম্ভ, বীণাগঞ্জিত উপাখ্যান- আমাদের একান্ত প্রত্যাশা।
তোমাকে অভিবাদন। ভালোবাসা॥

গোলাম সারোয়ার গোলাম সারোয়ার আবৃত্তিশিল্পী ও প্রশিক্ষক

বকুলের জন্য শুভকামনা

নাসিমা খান বকুল। একজন নিবেদিত প্রাণ আবৃত্তিশিল্পী। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি উচ্চকিত তাঁর উচ্চারণে। শব্দের অর্থবোধক প্রকাশ তাঁকে চিনতে সাহায্য করে। মুক্তধারার সাথে পথচলা দীর্ঘদিনের। একজন আবৃত্তিকর্মী, সংগঠক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ব্যাপক। সাংগঠনিক আবৃত্তি চর্চায়ও তাঁর ভূমিকা স্মরণীয়। এই মেধাবী আবৃত্তিশিল্পীর একক উচ্চারণে নিশ্চয়ই আমরা মোহিত হব, এই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

তাঁর সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করছি।

নিত্য শুভার্থী

ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু, সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ

নাসিমা খান বকুল,

আমাদের আবৃত্তি অঙ্গনে শত প্রতিক’লতা সত্তে¦ও যে গুটিকয়েক নারী দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেদের উজ্জ্বল উপস্থিতি ধরে রেখেছেন তাদের মধ্যে তরুণ এই নারী আবৃত্তিশিল্পী অন্যতম। শুধু ব্যক্তি চর্চাই নয় মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের সাথে সাংগঠনিকভাবে জড়িয়ে আছেন সেই ১৯৯৮ সাল থেকে এবং বর্তমানে এই সংগঠনের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। যে কোন মাধ্যমের যে কোন শিল্পীর জীবনে একক উপস্থাপনা একটি আরাধ্য বিষয় বলেই আমি মনে করি, অনেক শিল্পীর জীবনে এই আরাধ্য বিষয়টি শুধু স্বপ্নই থেকে যায়, সেদিক থেকে বকুল সেই ভাগ্যবানদের একজন যাদের স্বপ্ন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। দীর্ঘ পথচলায যে অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেছেন তার পরিপূর্ণ উপস্থাপন শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরার যে ব্রত উনি মনে ধারন করেছেন তার প্রশংসা না করে গত্যন্তর নেই। এর পূর্বেও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে “এইতো জীবন এইতো মাধুরী” অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০ মিনিট তাঁর অনবদ্য পরিবেশনা দেখেছি। এছাড়াও অসংখ্য মঞ্চে তার পরিবেশনায় আমি উপস্থিত থেকেছিলাম যা থেকে সহজেই বলা যায় এই শিল্পী তাঁর একক পরিবেশনা শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার সিদ্ধান্তটি যথাসময়ে নিয়েছেন এবং আবৃত্তিতে নতুনমাত্রা যোগের মাধ্যমে তরুণদের অভিজ্ঞতা অর্জনের একটি উর্বর ক্ষেত্র উনি উপহার দিতে যাচ্ছেন। শুধু শিল্প চর্চাই নয় সমাজ তথা দেশের অনেক ক্রান্তিকালে রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে এই নারী আবৃত্তি শিল্পীকে দেখেছি সর্বসম্মুখে।

আবৃত্তি শিল্পটি শেষ পর্যন্ত একক প্রয়াসের মধ্য দিয়ে শিল্পী স্বত্তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে থাকে বলে আমি মনে করি। সে কারণেই একজন আবৃত্তিশিল্পীকে তার সবটুকু দক্ষতা দেখাতে হলে একক উপস্থাপনের কোন বিকল্প নেই এবং একক উপস্থাপন শ্রোতাদের কাছে একজন শিল্পীর অগ্নিপরীক্ষা বলেও মনে হয়। তবে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের প্রাপ্তিও ঘটে সীমাহীন, এই পরীক্ষায় নাসিমা খান বকুল নিশ্চিতভাবেই শ্রোতাদের মনে স্থায়ী স্থান করে নেবেন বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তাঁর সংগঠন মুক্তধারার সাধারণ সম্পাদক তাঁর গুরু বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলামের কথা উল্লেখ না করলেই নয়, উনি যেভাবে প্রায় নারী প্রধান এই সংগঠনটির নেতৃত্ব দিয়ে একের পর এক তার শিষ্য তথা সদস্যদের এককভাবে উপস্থাপন করে আসছেন তা একজন সংগঠন প্রধান হিসেবে অনুসরণীয় গুণ বলে মনে করি।

কবিতার মতোই সুন্দর হোক তাঁর আগামী জীবন ও আজকের একক আবৃত্তিসন্ধ্যা সফল হোক, সার্থক হোক এই শুভ কামনায়-

মাসুম আজিজুল বাসার মাসুম আজিজুল বাসার, সভাপতি, ত্রিলোক বাচিক পাঠশালা

শুভযাত্রায় শুভকামনা

আবৃত্তি অঙ্গনে আরো একটি একক পরিবেশনাকে স্বাগত জানাই। আবৃত্তি চর্চায় দীর্ঘদিনের সহযাত্রী নাসিমা খান বকুলের একক আবৃত্তির প্রস্তুতি চলছিল বেশ আগে থেকেই। তাই একক বিষয়ে বকুলের সাথে কথাও হয়েছে অনেকবার। অবশেষে ২০১৭ এর স্বাধীনতার মাসে তার এই নতুনরূপে প্রকাশের আয়োজনে আমি প্রিয় বন্ধুর মতোই আনন্দিত। দৃশ্যত লাজুক ও কিছুটা সিরিয়াস স্বভাবের বকুলের কণ্ঠে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মানবতার পক্ষের আবৃত্তির ঝংকার শুনেছি ও মুগ্ধ হয়েছি বহুবার। এবারে তার একক পরিবেশনা ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’তে হয়তো বকুলের আরো লুকায়িত স্বপ্নের প্রকাশ ঘটবে, নতুন করে আবিষ্কার করব বকুলকে। তার স্বপ্নের সাথে স্বপ্নাবিষ্ট হব আমরাও। বন্ধু বকুলের আবৃত্তির এককে বকুল একা নয় আমরা সবাই আছি বকুলের পাশে। শুভযাত্রায় শুভকামনা।

তামান্না তিথি তামান্না তিথি, সাধারণ সম্পাদক, উদ্ভাসন

আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল-এর একক পরিবেশনা হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে। তাঁর সময়ের যাঁরা নিয়মিত চর্চার মধ্যে আছেন, তিনি তাঁদের অন্যতম। তাঁর আবৃত্তিচর্চার বয়স দেড় দশক পেরিয়েছে বহুআগেই। এরই মধ্যে তিনি তাঁর স্বকীয়তা বজায় রেখেছেন মঞ্চে এবং অন্যান্য গণমাধ্যমে সাবলীল আবৃত্তি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে। নিবেদিতপ্রাণ একজন সংস্কৃতিকর্মী হিসেবেও তিনি মানবতার পক্ষে, সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ-বিরোধী সকল আন্দোলন-সংগ্রামে থেকেছেন একাত্ম হয়ে। তাঁর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্যোগ নেয়ায় মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র অবশ্যই ধন্যবাদের দাবিদার। সুন্দর ও সফল হোক এ শিল্পীর আবৃত্তির একক পরিবেশনা। অনেক শুভেচ্ছা শিল্পী নাসিমা খান বকুলকে।

ফয়জুল আলম পাপ্পু ফয়জুল আলম পাপ্পু, আবৃত্তিশিল্পী, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন

বাংলাদেশের আবৃত্তি অঙ্গনে উদিয়মান আলোক শিখা নাসিমা খান বকুল। এ অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেছেন ঊনিশশত পঁচানব্বই সালে। এরই মাঝে তিনি আলো ছড়িয়েছেন আবৃত্তির নানা ক্ষেত্রে। সাংগঠনিক চর্চা, পান্ডুলিপি গ্রন্থনা ও আবৃত্তি প্রযোজনা নির্মাণে তিনি স্বমহিমায় দীপ্যমান। আর এর সবই সম্ভব হয়েছে তাঁর আবৃত্তির প্রতি অনুরাগ, মগ্নতা ও একনিষ্ঠতার জন্য।

জীবিকার্জনের জন্য তিনি যদিও কঠিন, গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততাপূর্ণ বেসরকারি চাকুরিতে রয়েছেন কিন্তু তার মন যেন পড়ে আছে আবৃত্তির খোলা প্রান্তরে। সব ব্যস্ততা শেষে এখানে এসেই প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেন। চারপাশ আলোকিত করে নিজে সজীব হয়ে ওঠেন। মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র এর মত বেগবান একটি দলের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাধিক আবৃত্তি প্রযোজনার গ্রন্থনা ও নির্দেশনা দিয়ে তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে বিভিন্ন সময় আবৃত্তি পরিবেশনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন। বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একক আবৃত্তি পরিবেশন করে সুনাম কুড়িয়েছেন। দেশের দুর্যোগে ও বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামী নাসিমা খান বকুল থাকেন সরব।

মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র আয়োজিত নাসিমা খান বকুল এর প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আনন্দিত হয়েছি। একজন আবৃত্তিশিল্পীর জন্য এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি ও ভিত্তিফলক। আমি তাঁর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু প্রত্যাশা করছি।
জয় হোক আবৃত্তির।

A K M Samsuddoha
এ. কে. এম. সামছুদ্দোহা এ. কে. এম. সামছুদ্দোহা, সভাপতি, সংবৃতা আবৃত্তি চর্চা ও বিকাশ কেন্দ্র

আমার কণ্ঠশীলনের একসময়ের শিক্ষার্থী নাসিমা খান বকুল আজ পরিণত আবৃত্তিশিল্পী। মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের নিয়মিত কর্মী বকুল বহু প্রযোজনায় দলীয় ও একক কবিতার আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছে। আমন্ত্রিত আবৃত্তিকার হিসেবে এবং বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে ‘এইতো জীবন এইতো মাধুরী’ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আবৃত্তির মাধ্যমে তার যোগ্যতার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। বকুল যেখানেই থাকে, তার স্বরের উপস্থিতি সকলের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করে। প্রাণবন্ত এই শিল্পীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র। তাদের এই প্রয়াস সার্থক হয়ে উঠুক নাসিমা খান বকুলের আবেগময় আবৃত্তির ছোঁয়ায়। জয় হোক আবৃত্তির।

মীর বরকত মীর বরকত, আবৃত্তিশিল্পী ও প্রশিক্ষক

খড়ের ভেতরে স্বপ্ন খোঁজে বকুল।

বুকল আমার বন্ধু। বন্ধুর একক আবৃত্তি হচ্ছে, তা আমাদের জন্যই স্বপ্নের। বকুলকে দীর্ঘ দিন ধরেই চিনি ও জানি। ওর মধ্যে একটা খুব ভালো দিক আছে- ও যা বোঝে তাই করে। যেটা অনেকের মাঝেই থাকে না, এমন কি আমার মাঝেও নেই। দীর্ঘদিনের আবৃত্তি চর্চায় বুকল তার একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে, তার এই অবস্থানের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ ঘটবে ০৩ মার্চ তারিখে। আশাকরি বকুল আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে তার আপন গতিতে। যারা মানুষকে সরাসরি বলার ক্ষমতা রাখে তাদের প্রাপ্তি ঘটে কম, কিন্তু মানুষ তাকে অন্যরকম শ্রদ্ধা করে। আমার মনে হয় বকুল তাদের মধ্যে পড়ে। চারুকণ্ঠ আবৃত্তি সংসদের পক্ষ থেকে শুভ কামনা থাকলো বকুলের জন্য।

জি এম মোর্শেদ জি এম মোর্শেদ, চারুকণ্ঠ আবৃত্তি সংসদ

সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ মানুষের দেহের ভঙ্গিই আলাদা। মানবতা, মনুষ্যত্ব কিংবা মাতৃভূমির যে কোন সংকটে ব্যক্তি মানুষের চরিত্রের প্রতিফলন প্রত্যক্ষ করা যায়। আপনি বিষয়টিকে কিংবা ঘটনাকে কিভাবে দেখছেন বিশ্লেষণ করছেন তার উপরই আপনার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করছে। আপনি বিষয়টির গভীরে প্রবেশ করেছেন, এড়িয়ে চলেছেন, ভয় পেয়েছেন কিংবা প্রকৃত সত্য অনুধাবন করে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ মানুষ হিসেবে আপনার করণীয় নির্ধারণ করেছেন। (more…)

Golam Quddus
গোলাম কুদ্দুছ গোলাম কুদ্দুছ, সভাপতি সম্মিলিত, সাংস্কৃতিক জোট

নাসিমা খান বকুলের ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’

নাসিমা খান বকুল চৌকষ এক যোদ্ধা আর নিবেদিতপ্রাণ এক সংস্কৃতিকর্মীর নাম। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সকল কর্মসূচিতে যে ক’জন নারী সংস্কৃতিকর্মীকে মিছিলের অগ্রভাগে পাওয়া যায় বকুল তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৯৫ সালে কণ্ঠশীলনের ৩২তম আবর্তনের মধ্য দিয়ে টিএসসি ভিত্তিক আবৃত্তিচর্চার হাতেখড়ি হলেও নাসিমা খান বকুল ১৯৯৮ সালে যুক্ত হন মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রে। তারপর শুধুই এগিয়ে চলা। আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের ‘জ্বালাও আলো আপন আলো’ আর ‘এইতো জীবন এইতো মাধুরী’তে অংশগ্রহণ করে বকুল তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। ইতোমধ্যে ‘হৃদয়ে চৈতন্যে বোধে’ মিক্সড আবৃত্তি এ্যালবাম বেরিয়েছে নাসিমা খান বকুলের। মুক্তধারা প্রযোজনা ‘মুখোমুখি দাঁড়াবার এইতো সময়’ নির্দেশনা দিয়েছেন বকুল। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন চ্যানেলে তার আবৃত্তি প্রশংসিত হয়েছে ইতোমধ্যে।

‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ নাসিমা খান বকুলের প্রথম একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান। সহযাত্রী এই আবৃত্তিশিল্পীর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি। তার উচ্চারণ দ্যুতির আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত হোক আবৃত্তির উঠোন। জয়তু আবৃত্তি।

ফয়জুল্লাহ সাইদ ফয়জুল্লাহ সাইদ, সভাপতি, ঢাকা স্বরকল্পন

বকুল ফুলের নামে যার নাম, তিনিতো সৌরভ ছড়াবেনই। কবিতাও যে তার কণ্ঠে উচ্চারিত হয়ে নতুন এক উপলব্ধি, ভালোলাগা ছড়িয়ে দিবে শ্রোতার মননে তাতে আর সন্দেহ কী! নাসিমা খান বকুল একক আবৃত্তির অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছেন, শ্রোতা হিসেবে এ আমার জন্য নতুন আশায় বুক বাঁধা। যথাযথ প্রাপ্তিতে কবুল করে নিতে চাই বকুলের আবৃত্তি। আশাকরি একক আবৃত্তি দিয়ে আবৃত্তিপ্রেমীদের মন জয় করতে পারবেন তিনি। নাসিমা খান বকুলের জন্য শুভ কামনা। জয় হোক বকুলের, জয় হোক আবৃত্তির।

অলোক বসু অলোক বসু, আবৃত্তিশিল্পী

আমার শুভ কামনা বকুল

কোন কোন তরুণকে দেখি লক্ষ্য ঠিক রেখে বড় ধীর পায়ে এগিয়ে চলে আবৃওি অঙ্গনে। মোটেই তাড়াহুড়া নেই। নীরবে চর্চা করে যায়। আবার এও দেখা যায় অনেকেই খুব দ্রুতগতিতে দৌড়ে কখন যে হাঁপিয়ে ওঠে নিজেও জানে না। তারপর আর দেখা যায় না। কিন্তু ধীরলয়ের তরুণটিকে দেখা যায় নিজের পথ নিজেই আবিষ্কার করে নিচ্ছে। একসময়ে প্রজ্জ্বল হয়ে ওঠে তার অবস্থান। আশান্বিত হয়ে দৃষ্টি ফেরায় অনেকেই তার দিকে। (more…)

বেলায়েত হোসেন বেলায়েত হোসেন, আবৃত্তি শিল্পী ও প্রশিক্ষক

বকুল কথন

ফুলের নামে নাম মেয়েটির। সংগ্রাম তার সত্য ও সুন্দরের। অস্ত্র তার কণ্ঠ ও কবিতা। প্রায় নিশ্চিত উপস্থিতি তার আবৃত্তির যে কোন আয়োজনে। কখনো মঞ্চে কখনো দর্শক সারিতে। তার কণ্ঠে উচ্চারিত হয় দেশ, মাটি, মানুষের শোষণ বঞ্চনা, অধিকার ও সংগ্রামের প্রত্যয়। সকল অপশক্তি ও কূপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে সংস্কৃতি কর্মীদের যে কোন আয়োজন ও সৃজনে সরব উপস্থিতি তার।

মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিষদের সহসভাপতি নাসিমা খান বকুল। নিজস্ব চর্চার পাশাপাশি দলীয় চর্চায় নিরলস।
তার কণ্ঠের সাবলীল উপস্থাপন বরাবরই উপভোগ্য আমার। এ আয়োজনেও দর্শক-শ্রোতা উপভোগ করবেন তার কণ্ঠ শৈলী।
বিশ্বাস করি যে ফুলের নামে তার নাম সে ফুলের সৌরভের মতোই তার কণ্ঠ ও পরিবেশনা দর্শককে মোহবিষ্ট করবে। ভবিষ্যৎ পরিবেশনায় উপস্থিত থাকার আকঙ্খায়।

জয়তু বকুল।
জয় হোক আবৃত্তির।
জয় হোক মানুষের।
জয় বাংলা।

মাসুদুজ্জামান মাসুদুজ্জামান, সভাপতি, স্রোত আবৃত্তি সংসদ

নিবেদনে নিবেদিত বকুল। আবৃত্তি জগতের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ শিল্প মাধ্যমে নিবেদিত তরুণ প্রাণের তেমন ঘাটতি আছে- একথা বলা যাবে না। তবে সময়ের পরিক্রমায় পালাবদলের তোড়ে কিংবা অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট লক্ষ্য থাকার পরিণতিতে এতে অনেকেই হারিয়ে যায়- মিলিয়ে যায়। বকুল নিঃসন্দেহে এ পর্যায় পেরিয়েছে বহু বছর আগেই। বকুল একজন পরীক্ষিত আবৃত্তিকর্মী, নিবেদিত আবৃত্তিশিল্পী এবং একনিষ্ঠ আবৃত্তিপ্রেমী। শিল্প ও সংস্কৃতিতে যে অপার সৌন্দর্য আর বিপুল প্রাণসম্পদ, তা তাকে আবিষ্ট করেছে। তাই সব পরিচয় ছাপিয়ে আবৃত্তি বকুলের হয়েছে, বকুল আবৃত্তিতেই রয়ে গেছে। তার একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আবৃত্তি অনুরাগের বলিষ্ঠ নিদর্শন হয়ে উঠুক- এ শুভ কামনা রইল। এ পর্যন্ত যত ভালো ভালো আবৃত্তি বকুল উপহার দিয়েছে, এ অনুষ্ঠানে এবং আগামীতে তারও চেয়ে ভালো আবৃত্তি সে উপহার দেবে- এটা আমার বিশ্বাস।

 

Muktodhara
অনন্যা লাবনী পুতুল অনন্যা লাবনী পুতুল, স্বনন, ঢাকা

খড়ের ওপর শিশির ভেজা বকুল

শিল্পীর স্বপ্ন আর শিল্পের উপজীব্য মানুষের স্বপ্নের মধ্যে তফাত নেই। তাইতো শিরোনাম ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’। স্বপ্ন ধরা দিতে চায় না সহজে, স্বপ্ন পড়া যায় না সহজে, তবুও মানুষ স্বপ্ন দেখে, মানুষকে স্বপ্ন দেখতে হয়। নিষ্ঠাবান বকুল স্বপ্ন দেখেছে কাব্যের চোখে মানুষের স্বপ্ন। স্বপ্ন সফল হোক সবাই চায়। বকুলের চাওয়া নিরলস পথ চলারই ধারাবাহিকতা। পায়ে চলা মানুষের পথের সাথী হবার আগ পর্যন্ত বকুল স্বপ্ন দেখুক- মানুষের অবিরাম মুগ্ধতায়। বকুলের উচ্চারণকে ঘিরে তারই প্রত্যাশা একজন অগ্রজের। শিল্প শিল্পিত হোক চর্চার শীর্ষে।
শুভ কামনায়-

এনামুল হক বাবু এনামুল হক বাবু, আবৃত্তিকর্মী

জেনে আনন্দিত হয়েছি যে, মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র আমার প্রিয় শিল্পী নাসিমা খান বকুলের একক আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন করেছে, ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ অনুষ্ঠানটির সার্থকতা কামনা করছি। বকুল মুক্তধারার সাথে সাংগঠনিক আবৃত্তি চর্চায় দীর্ঘদিন ধরে নিজের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে। আমার এই প্রিয় অনুজ সহযাত্রীকে অভিনন্দন, অভিনন্দন মুক্তধারাকেও। ইতিপূর্বে সংগঠনের রফিকুল ইসলাম, তামান্না সারোয়ার নীপা, মাহমুদা সিদ্দিকা সুমি এদের আবৃত্তির একক পরিবেশনার আয়োজনÑশিল্পীদের শিল্পীসত্ত্বাকে সম্মান জানিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় নাসিমা খান বকুলের আজকের ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ একটি সংযোজন। আবৃত্তির অনুশীলন এবং জাতীয় জীবনে যে কোন কংকট সংগ্রামে সংস্কৃতিকর্মীদের সাথে অবস্থার উত্তরণে বকুলও সহযাত্রী। এই প্রয়াসে সে খুব আন্তরিক এবং অঙ্গীকারাবদ্ধ। ওর আবৃত্তি আমার ভালো লাগে। এই অনুষ্ঠান ওর আগামী একক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে গুঢ় ও সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করুক। বকুলের শিল্পী সত্ত্বা বিকাশে মুক্তধারার এই প্রয়াস উদ্যাপন সফল হোক। জয়তু সুবাসিত বকুল, জয়তু আবৃত্তি।

Rajinawali Leena
রেজিনা ওয়ালী লীনা রেজিনা ওয়ালী লীনা, আবৃত্তিশিল্পী

কবি খোন্দকার আশরাফ হোসেন তাঁর ‘সুদূরের পাখি’ কবিতায় পাখিকে জিজ্ঞেস করেন : ‘কী খুঁটছ সারাদিন অনন্তের পাখি ?’ পাখি বলে : খুঁটছি যবের দানা, শস্যবীজ… এইখানে ফেলে যাওয়া আগের জনম।’ কবিতার শেষ পঙ্ক্তিতে কবি ফের জিজ্ঞেস করেন, ‘কী নিচ্ছ ঠোঁটের ফাঁকে সুদূরের পাখি ?’ পাখি বলে, ‘আমি নিচ্ছি দুটি খড়Ñ এই মৃত্যু আরেক জীবন।’ এই কবিতায় কবি বাঙালির শাশ্বত জীবন বোধ, ঐতিহ্য আর লোকবিশ্বাসের কথা উচ্চারণ করেছেন পাখির প্রতীকী আশ্রয়ে। কবির ‘সুদূরের পাখি’র কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে এক মৃত্যু এবং আরেক জীবনের কথা। আসলে সে বলেছে মানুষের অনন্ত জীবনপ্রবাহের কথা। যে-জীবনে স্বপ্ন থাকে, সাধ থাকে, আশা-আকাক্সক্ষা, হতাশা, দুঃখ-বেদনা, পরাজয়-পরাভব থাকে। তবু জীবন চিরপ্রবহমান।

বাংলাদেশের আবৃত্তিশিল্পীরাও প্রবহমান এই জীবনেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁদের উচ্চারণে ধ্বনিত হয় জীবনেরই স্বপ্ন-সাধ, আশা-নিরাশার আবেগমথিত হিরন্ময় শব্দমালা। তরুণ আবৃত্তিশিল্পী নাসিমা খান বকুল তাঁর ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’ শিরোনামের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে আমাদের শোনাবেন স্বপ্নের কবিতা এবং তার মধ্যদিয়ে জীবনের বৈভব ও ঐশ্বর্যের কথা। ৩ মার্চ ২০১৭, মঞ্চ আলোকিত করে কেবল তিনিই দাঁড়াবেন না, সঙ্গে দাঁড়াবে তাঁর অনেক দিনের চর্চা, অভিজ্ঞতা, প্রত্যয় আর কবিতার প্রতি অনন্ত ভালোবাসা। শুভ কামনা নাসিমা, কবিতার অমিয় শব্দাবলি অজস্র বকুল হয়ে ফুটে উঠুক তোমার শীলিত উচ্চারণে, সর্জন-প্রতিভার নান্দনিক প্রকাশে।

ইকবাল খোরশেদ ইকবাল খোরশেদ, নির্বাহী প্রধান, মুক্তবাক

নাসিমা খান বকুল-এর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হচ্ছে জেনে আনন্দ বোধ করছি।
সদা হাস্যময়ী বকুল দীর্ঘদিন ধরে আবৃত্তি চর্চার সাথে যুক্ত।
আন্দোলন সংগ্রামেও তার সরোব উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়।
মুক্তধারাকে জানাই সাধুবাদ, বকুলকে অভিনন্দন।
চমৎকার একটি সন্ধ্যার অপেক্ষায়—

সৈয়দ শহীদুল ইসলাম নাজু সৈয়দ শহীদুল ইসলাম নাজু, সাধারণ সম্পাদক, কথা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র

নাসিমা খান বকুল। আবৃত্তি অঙ্গনে অত্যন্ত পরিচিত একটি মুখ। নিরলস পরিশ্রমী ও একনিষ্ঠ আবৃত্তিকর্মী বকুল। তার অনেকগুলো আবৃত্তি অনুষ্ঠান আমি দেখেছি। অত্যন্ত সাবলীল ও বলিষ্ঠ তার পরিবেশনা। মুক্তধারা আয়োজিত বৃন্দ আবৃত্তিতেও বকুলকে আলাদাভাবে চিনতে কষ্ট হয় না। আবৃত্তিতে তার অসাধারণ নিমগ্নতা আকর্ষণীয়। বলা যায়, বকুল বর্তমান সময়ে আবৃত্তিমঞ্চে একজন উজ্জ্বল তারকা। একক আবৃত্তি অনুষ্ঠানেও সে সফল হবে এটা সুনিশ্চিত। বকুলের জন্য আমার নিরন্তর শুভ কামনা রইলো।

আসলাম শিহির আসলাম শিহির, আবৃত্তিশিল্পী ও অভিনেতা

নাসিমা খান বকুল এর সঙ্গে আমরা ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’

ভাবের অর্থপূর্ণ শিল্পিত প্রকাশে বাচিক উপস্থাপনার শক্তিতে আমার বিশ্বাস; ভালোবাসা। এনিয়ে ভাবনা আর কাজ আমার একটা পৃথিবী। যখনই জানতে পারি, কেউ আবৃত্তির কোনো আয়োজন করছেন, আনন্দ হয়। সেই আয়োজন কাছের বা চেনা কারো হলে আনন্দের সঙ্গে প্রতীক্ষা তীব্রতর হয়। মন বলতে থাকে, শুভ কামনা, শুভ কামনা।

নাসিমা খান বকুল একজন সক্রিয়-আন্তরিক-নিষ্ঠাবান আবৃত্তিশিল্পী-কর্মী-সংগঠক-নির্দেশক। আবৃত্তি নিয়ে তাঁর মৌলিক চিন্তা আছে। পরিবেশনা ও প্রযোজনায়-এর প্রমাণ মেলে। জানি, তাঁর একক আবৃত্তি সন্ধ্যাটি আমাদের জীবনের মূল্যবান সঞ্চয় হয়ে থাকবে।

আবৃত্তিসন্ধ্যা ‘খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি’তে বাচিক শিল্পের সহযাত্রী আর শ্রোতারা নাসিমা খান বকুলকে নতুন মাত্রায় পাবেন- এ শুধু আমার চাওয়া নয়, বিশ্বাস।

মীর মাসরুর জামান রনি মীর মাসরুর জামান রনি, সাধারণ সম্পাদক, স্বরশ্রুতি

বিজ্ঞাপনদাতা

Bright School and College
Well Food
Federal Logistics
Apex Lingerie Limited
darji bari
loomoutfit
ACME
Janata Bank Ltd

নাসিমা খান বকুলের আবৃতিকৃত একটি কবিতা আয় বৃষ্টি ঝেপে - মাহবুব হাসান এর ভিডিও চিত্রঃ


নাসিমা খান বকুলের একক সন্ধ্যা "খড়কুটোয় স্বপ্ন খুঁজি" এর অন্যান্য কবিতাগুলোর ইউটিউব (Youtube) লিংক ঃ
https://www.youtube.com/???

 

নাসিমা খান বকুলের আবৃত্তিকৃত অন্যান্য কবিতাগুলোর ইউটিউব (Youtube) লিংক ঃ
https://www.youtube.com/playlist?list=PLevN3vsV0m0CMB6puPQYJ4uzNC0GeOIJ8